দেখতে দখতে প্রায় বছর তিনেক পাড়....করোনার (Covid 19)কামড়ে গোটা বিশ্ব একেবারে জুবুথুবু। ঝড়ের গতিতে টিকাকরণ প্রক্রিয়া জারি রয়েছে। কিন্তু করোনা প্রতিনিয়ত থাবা বসাচ্ছে মানুষের শরীরে। তাল কেটে যাচ্ছে জীবনের ছন্দে। এই অবস্থায় ১৭ জানুয়ারি সোমবার গুগলের ডুডুল (Google-Doodle) এক অভিনব পদক্ষেপ নিল। যে কোনও বিশেষ দিন বা বিশেষ মুহুর্তের ডুডুল আমাদের নজরে আসে। এবার গুগল যে ডুগলটি তৈরি করেছে সেটি করোনার সচেতনতা কেন্দ্রীক একটি ডুডল। একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন গুগলের প্রতিটি শব্দের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে করোনাকে জয় করার পন্থা। চিকিৎসক থেকে বিশেষজ্ঞ সকলেই করোনার সঙ্গে মোকাবিলা করে এই অতিমারিকে জয় করার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন। প্রতি মুহুর্তে মাক্স পড়া থেকে হাত ধোয়া এবং করোনা টিকাকরণের প্রয়োজনীয়তা সম্বন্ধে মানুষকে অবগত করে চলেছেন। এবার সেই একই জিনিস দেখা গেল গুগলের ডুডুলে। গত বছর করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের বাড়বাড়ন্তের পর এবারেও করোনার দৌরাত্ম্য দেখে ফের কোভিড মোকাবিলা (Covid Awareness) করার জন্য সাবধানতার বার্তা দিতে এই ধরনের ডুডুল নিয়ে হাজির হল গুগল।
আসুন এবার জেনে নি, করোনা মোকাবিলার জন্য গুগল ঠিক কী ধরনের অ্যানিমেটেড ডুডুল বানাল...ডুডুলের মাধ্যমে যে বার্তা পাওয়া যাচ্ছে সেটি হল ভ্যাকসিন নিন, মাক্স পড়ুন এবং সুস্থ থাকুন। গুগলের প্রতিটি শব্দের ওপরই রয়েছে একটি সাবধনতার মোড়ক। মাক্সের আবর্তে ঘেরা রয়েছে গুগলের প্রতিটি শব্দ। গুগলের ক্রিয়েটিভি বরাবরই মুগ্ধ করে সকলকে। এবারেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। মাক্সে মোরা গুগলের শব্দগুলো দিয়েই প্রতিটি মানুষকে করোনা আবহে মাক্সের ব্যবহার কতটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা বোঝানো হচ্ছে। আর এবারের গুগলের ডুডুল যে বিশেষ ক্রিয়েটিভিটি ব্যবহার করেছে সেটি হল গুগল শব্দটার ওপর ক্লিক করলেই আপনার সামনে খুলে যাচ্ছে আপনার নিকটস্থ স্বাস্থ্য কেন্দ্রের তালিকা যেখান থেকে আপনি ভ্যকসিন পেতে পারেন। সেই সঙ্গে মানুষকে আরও সুবিধা দিতে রয়েছে গুলগ ম্যাপও। লাস্ট বাট নট ইন লিস্ট, করোনার এই সতর্কমূলক বার্তা সকলের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে রয়েছে শেয়ার অপশন। আরনি ইচ্ছে হলে শেয়ার অপশনে ক্লিক করে এই মেসেজ সকলের কাছে পৌঁছে দিতে পারবেন। এর ফলে অনেকেই যে উপকৃত হবে তা বলাই বাহুল্য।
করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন আতঙ্কে দিন কাটছে মানুষের। ইতিমধ্যে অনেকেই ওমিক্রনে আক্রান্তও হয়েছেন। সম্প্রতি ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সীদের জন্য চালু হয়েছে করোনা টিকা। সেই সঙ্গে ষাটোর্ধ্বোদের জন্য রয়েছে বুস্টার ডোজও। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ থেকে ১৪ বছর বয়সীদের জন্যও চালু হয়ে যাবে করোনা টিকা। সিংহভাগ মানুষের সুরক্ষা কবচ হিসাবে করোনা ভ্যকসিন নেওয়া থাকলে সংক্রমনের মাত্রাও বেশি খানিকটা কমবে বলে আশা করা যায়।
0 Comments
If you have any problem. Please let me know.