চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতাল-সংলগ্ন করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালের ওয়ার্ড থেকে গতকাল মঙ্গলবার পালিয়েছেন ভারতফেরত এক যাত্রী। এ ঘটনার পর গতকাল রাতে ওই ওয়ার্ডের দরজায় তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে হাসপাতাল প্রশাসন। আর করোনা পজিটিভ প্রত্যেকের পাসপোর্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে রেখে দেওয়া হয়েছে।
হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) ওয়াহিদ মাহমুদ প্রথম আলোকে বলেন, ওয়ার্ডটিতে বর্তমানে ভারত থেকে আসা ১৩ জনসহ মোট ১৫ জন করোনা পজিটিভ রোগী আইসোলেশনে আছেন। তাঁদের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের পরামর্শে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে চিকিৎসা-সংক্রান্ত জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজনে অনুমতি সাপেক্ষে বের হওয়ার সুযোগ আছে। আর আইসোলেশন শেষে করোনা নেগেটিভ হওয়ার পর পাসপোর্ট নিয়ে এসব রোগী বাড়িতে ফিরতে পারবেন।
হাসপাতালসহ সংশ্লিষ্ট একাধিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল এই হাসপাতালের করোনা ওয়ার্ডের রেড জোনে মোট ১৪ জন করোনা পজিটিভ রোগী আইসোলেশনে ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ১২ জনই দর্শনা বন্দর হয়ে ভারত থেকে আসা বাংলাদেশি নাগরিক।
তাঁদের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের ভোলাহাটি উপজেলার নন্দনি গ্রামের আবুল কালাম আজাদ (৪৫) ৯ জানুয়ারি ভারত থেকে বাংলাদেশে আসেন। দর্শনা বন্দরে নমুনা পরীক্ষায় তাঁর করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়। জেলা করোনা ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণ কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, তাঁকে চুয়াডাঙ্গা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে আইসোলেশনে রাখা হয়।

0 Comments
If you have any problem. Please let me know.